রক্ষণাবেক্ষণ শেষে কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের এলএনজি টার্মিনালে পুনরায় রিগ্যাসিফিকেশন শুরু হয়েছে। এতে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক ধারায় ফিরেছে এবং আজ রাত ৮টা পর্যন্ত সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৯৩ মিলিয়ন ঘনফুট।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আজ দুপুর ১টা থেকে সামিট এলএনজি টার্মিনালে পুনরায় রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে দু’টি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ রাত ৮টা পর্যন্ত জাতীয় গ্যাস গ্রিডে মোট ২ হাজার ৫৯৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে এসেছে ১ হাজার ৫৭৭ মিলিয়ন ঘনফুট। আর পুনঃগ্যাসীকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (আরএলএনজি) থেকে সরবরাহ হয়েছে ১ হাজার ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট।
পেট্রোবাংলা জানায়, সামিটের টার্মিনালে রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ বাড়তে থাকে। দুপুরের পর থেকে শিল্পকারখানা থেকে শুরু করে বাসাবাড়িতেও বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ বাড়তে থাকে।
উত্তর যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা একরামুল বাশার রাত ১০টায় মোবাইলে বাসসকে বলেন, দিনের বেলায় তার বাসায় গ্যাসের চাপ কম ছিল। বিকেলের দিকে চাপ বাড়তে থাকে। এখন গ্যাসের চাপ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। চুলায় পুরোদমে গ্যাস জ্বলছে।
এর আগে গত ৩ নভেম্বর পেট্রোবাংলা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সামিটের এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজের কারণে রিগ্যাসিফিকেশন বন্ধ থাকায় দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কমতে পারে। এ সময়ে সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও কোনো কোনো এলাকায় স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে বলেও জানানো হয়েছিল।
এম







































