এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অনুকূলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রোববার (১ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে অর্থ বিভাগের সচিবকে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে অর্থ বিভাগের সচিবকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীর অবদান অপরিসীম। সারাদেশের শিক্ষকদের চাকরির সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিসহ তাদের কল্যাণ এবং সার্বিক পরিসেবা উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতের আনুপাতিক বাজেট বৃদ্ধি করছে। এতে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান ও তাদের পেশাদারত্বের মান বৃদ্ধি পাবে।

চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী বেতন ভাতা পাচ্ছে। জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী বেতন ভাতা দিতে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো অতিরিক্ত ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৪ লাখ এবং বেসরকারি কলেজগুলো অতিরিক্ত ৭৩৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকাসহ সর্বোমোট প্রায় ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা দেওয়া প্রয়োজন।
এমন অবস্থায়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ বাস্তবায়নে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে অতিরিক্ত ৩ হজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের চিঠির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।

তিনি লিখেছেন, ‘৩২৬৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল অন্তর্ভুক্তির জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে অর্থ মন্ত্রনালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া শিক্ষকদের জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, বেসরকারি শিক্ষকদের সকল দাবি পূরণ করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।’
এম







































