ছবি: এআই তৈরি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের খবরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে লন্ডনে অবস্থানকালে গোপনে ফোনালাপের অভিযোগে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে-গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন খবরের পরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন তিনি।
তবে সব জল্পনা-কল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে একে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনার বাইরে বলে আখ্যা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। অন্যদিকে, এই কথিত ফোনালাপের বিষয়ে কোনো তথ্য নেই জানিয়ে বিষয়টি তদন্তের ইঙ্গিত দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই বঙ্গভবনের শীর্ষ পদটি নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ চলছিল। যদিও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির নিয়মিত উপস্থিতি সেই জল্পনায় খানিকটা স্থবিরতা এনেছিল। কিন্তু একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট থেকে ছড়িয়ে পড়া পদত্যাগের গুঞ্জনে আবারও রাজনীতির মাঠ সরগরম হয়ে ওঠে। গুঞ্জন সত্যি হলে সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের পছন্দই প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ঘিরে তৈরি হওয়া এই ধোঁয়াশা কেবল একটি ব্যক্তির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন নয়, বরং পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন সরকারের সাংবিধানিক কৌশলেরও এক বড় পরীক্ষা। গুঞ্জন, অনড় অবস্থান এবং সরকারের তদন্তের ইঙ্গিতের মধ্য দিয়ে বঙ্গভবনকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই রাজনৈতিক নাটকের জট শেষ পর্যন্ত কোন দিকে খোলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
এসএইচ






























-20260722160634.jpg)








