শেষ হলো এক পরিবারের জীবনের গল্প, শ্বশুরবাড়িতে খোঁড়া হলো ৪ কবর

  • নোয়াখালী প্রতিনিধি | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মার্চ ২৭, ২০২৬, ০২:১১ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ঈদের আনন্দ শেষ হতেই কর্মস্থলে ফেরার পথে মুফতি আব্দুল মমিন ও তার পরিবার tragically জীবন হারালেন। কুমিল্লার কালাকচুয়া এলাকায় স্টার লাইন পরিবহনের দ্রুতগামী বাস প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দিলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক জামাল হোসেন নিহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর মমিন (৫০), তার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৪০), ছেলে সাইফ (৭) ও মেয়ে লাবিবা (১৮) প্রাণ হারান। গুরুতর আহত হয়েছেন মমিনের একমাত্র ছেলে আবরার (১২), যিনি কুমিল্লার ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহত মমিনের জানাজা শুক্রবার সকালেই লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি গ্রামের বশাহাজী পাটওয়ারী বাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। পরে শ্বশুরবাড়ির কবরস্থানে পাশাপাশি চারটি কবরে তাদের দাফন করা হবে। কবর খোঁড়ার কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।

মুফতি আব্দুল মমিন ঢাকার মোহাম্মদপুরে জামিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন। ঈদের ছুটিতে পরিবারসহ গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে এসেছিলেন। ছোট ভাইয়ের ঘরে অবস্থান করেই পরিবারের সঙ্গে তারা ঢাকায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল বাশার জানিয়েছেন, একসঙ্গে পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুতে নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলায় নেমে এসেছে শোকের মাতম। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এসএইচ