দেশের ছয় জেলায় শনিবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কৃষক, জেলে ও শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ সময় বিভিন্ন ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
সুনামগঞ্জ, রংপুর, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও গফরগাঁওয়ে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় এসব প্রাণহানি ঘটে।
সুনামগঞ্জে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে। জেলার তাহিরপুর, ধর্মপাশা, দিরাই ও জামালগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই কৃষক, এক শিক্ষার্থী ও কয়েকজন শ্রমজীবী রয়েছেন। আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টির সময় হাওরে ধান কাটার সময় এসব ঘটনা ঘটে। একই জেলায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
রংপুরের মিঠাপুকুরে বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন। হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টির সময় পরপর কয়েকটি বজ্রপাত হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানান।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে মমিনা হাওড়ে মাছ ধরতে গিয়ে এক ব্যক্তি বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে বড় হাওড়ে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়।
নেত্রকোনার আটপাড়ায় হাওরে গরুর ঘাস কাটতে গিয়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। একই জেলার গফরগাঁওয়ে পৃথক ঘটনায় আরও একজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠ ও হাওরে কাজ করার সময় এসব দুর্ঘটনা ঘটছে। কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আহতদের স্থানীয় হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
এসএইচ