দেশে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকটের মধ্যে ভোক্তাদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে সরকার। তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির এই অনুমতির মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ বাড়ানো এবং দাম নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
রোববার রাতে গণমাধ্যমকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানান, বিপিসিকে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে জিটুজি চুক্তির মাধ্যমেই এই আমদানি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শুরুর জন্য বিপিসির চেয়ারম্যানকে মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠিও পাঠানো হচ্ছে।” আমদানি কার্যক্রম শুরু হলে বাজারে এলপিজির সরবরাহ বাড়বে এবং দামের অস্থিরতা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশে এলপিজির সরবরাহ ঘাটতি ও দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে গত ১০ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিবের কাছে এলপিজি আমদানির অনুমতি চেয়ে চিঠি দেয় বিপিসি।
চিঠিতে বিপিসি উল্লেখ করে, দেশে এলপিজির বাজার সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় সংকট দেখা দিলে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত থাকে। ফলে সরবরাহ ঘাটতি বা কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা মোকাবিলার কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
এম