লেবু-শসার দাম কমেছে, ব্রয়লারের কেজিতে বাড়ল ৫০ টাকা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম

রাজধানী ঢাকার বাজারে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। গত সপ্তাহে ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া ব্রয়লারের কেজি এখন ২৩০ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ সাত দিনের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ৫০-৬০ টাকা।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর বাজারগুলোতে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে দেখা যায়, শুধু ব্রয়লার নয়, অন্যান্য জাতের মুরগির দামও চড়া।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবু ও শসার দাম কিছুটা কমেছে, বিপরীতে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ও বিভিন্ন মসলার দাম। ঢাকার খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

ব্রয়লারের পাশাপাশি অন্যান্য জাতের মুরগির দামও চড়া। কক মুরগি কেজিপ্রতি প্রায় ৩৫০ টাকা, লেয়ার ৩৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুর-১ নম্বর কাঁচাবাজারের মুরগি বিক্রেতা নুরউদ্দিন বলেন, রোজায় মুরগির দাম ওঠানামা করছে। রোজার শুরুতেও দাম এমনই ছিল, পরে কিছুটা কমেছিল। আমরা কাপ্তান বাজারসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকারিতে মুরগি কিনি। বর্তমানে পাইকারি বাজারেই দাম বেশি।

বর্তমানে মানভেদে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আফরিদা এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাছ-মাংস সবকিছুরই দাম বেশি। একটা মাঝারি ধরনের মুরগি নিলেই সাড়ে পাঁচশ থেকে ছয়শ টাকা দিতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা অনেক বড় বোঝা।’

বাজারে চিনি ও সুগন্ধি চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি চিনি ১০ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সুগন্ধি চালের দামও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি মসলার বাজারও চড়া হতে শুরু করেছে। কেজিপ্রতি ২০০ টাকা বেড়ে আলুবোখারা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার টাকায়। এছাড়া জিরা, কিসমিস ও বিভিন্ন ধরনের বাদামের দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

এদিকে বেশ কয়েক দিন ধরে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। যদিও তেলের দাম বাড়েনি, তবে অনেক দোকানে এক লিটার ও দুই লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। বিক্রেতাদের দাবি, ডিলাররা চাহিদার তুলনায় প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ তেল সরবরাহ করছেন।

এম