যেভাবে পদোন্নতি চান প্রাথমিকের শিক্ষকরা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২১, ০৩:৩৭ পিএম

ঢাকা: সহকারী শিক্ষকদের যুক্তি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটিমাত্র প্রধান শিক্ষকের পদ, পদোন্নতির যোগ্যতা থাকলেও পদসংকটের কারণে সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতি না পেয়েই কর্মজীবন শেষ করছেন। তাই সহকারী শিক্ষকদের বিকল্প উপায়ে পদোন্নতি দেয়া হোক।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা সাত বছর চাকরির পর চান ‘সুপার নিউমারারি পদোন্নতি’।

তাদের যুক্তি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটিমাত্র প্রধান শিক্ষকের পদ, পদোন্নতির যোগ্যতা থাকলেও পদসংকটের কারণে সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতি না পেয়েই কর্মজীবন শেষ করছেন। তাই সহকারী শিক্ষকদের বিকল্প উপায়ে পদোন্নতি দেয়া হোক।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি রাজেশ মজুমদার বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে পদোন্নতি দেয়া হয়। পদসংকট ও বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে ২০০৯ সাল থেকে পদোন্নতি দেয়া বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কলেজে অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য শূন্যপদ কোনো বিষয় নয়। তাই শূন্যপদের বিপরীতে নয়, নিয়োগবিধিতে উল্লিখিত যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে সাত বছর পর সুপার নিউমারারি পদোন্নতি দেয়া উচিত।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, সারা দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজারের অধিক সহকারী শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। যেহেতু প্রতিটি বিদ্যালয়ে একটিমাত্র প্রধান শিক্ষক পদ, তাই পদোন্নতির যোগ্যতা থাকলেও পদস্বল্পতার কারণে সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতি না পেয়ে সারা কর্মজীবন একই পদে কর্মরত থাকেন।

আরও বলা হয়, তা ছাড়া প্রধান শিক্ষক পদেও পদোন্নতি নেই। তাই সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি সমস্যার সমাধানে সুপার নিউমারারি পদোন্নতি কার্যকর সমাধান।

সোনালীনিউজ/এইচএন