নির্বাচন কমিশন বিএনপি ও জামায়াতের দিকে ঝুঁকে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম।
সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সংগঠনটি দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে।
হাসিব আল ইসলাম বলেন, “আমরা আশঙ্কা করছি, নির্বাচন কমিশন বড় রাজনৈতিক দুটি দল-বিএনপি ও জামায়াতের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। তারেক রহমান দেশে আসার পর আমলরাও বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। যাদের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপির সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাদের মনোনয়ন বাতিল করা উচিত।”
তিনি সতর্ক করেন, “যারা এখনো দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আছেন, তারা যদি এমপি বা মন্ত্রী হন, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকি। সংবিধান, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র সংক্রান্ত বিশেষ গোপন নথিপত্র সরকারের কাছে থাকে। যদি তারা বাংলাদেশের নাগরিক না হন, তাহলে সেই গোপন তথ্য অন্য রাষ্ট্রের কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা থেকে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে।”
হাসিব আল ইসলাম বলেন, “নির্বাচন কমিশনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছি। আপনারা যদি নিরপেক্ষতার প্রমাণ না দেন, আমরা দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করব। আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হব।”
সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা** বলেন, “২০২৪ সালের হাজার হাজার শহীদের রক্তের উপর গঠিত সরকার ও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো জনগণকে সর্বোচ্চ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন উপহার দেওয়া। ঋণখেলাপিরা শুধুমাত্র অপরাধী নয়, তারা রাষ্ট্রীয় সম্পদের লুটের প্রতীক। তাদের বৈধতা দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশকে লুটেরাদের হাতে দেওয়া হচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।” সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচ