‘স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে, এসো মিলি প্রাণের বন্ধনে’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৬–৯৭ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী শুরু হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১১টায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে পুনর্মিলনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এরপর ক্যাম্পাসজুড়ে বের করা হয় একটি বর্ণাঢ্য র্যালি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে শুরু হওয়া র্যালিটি পরিচিত সড়ক ঘুরে হেলিপ্যাডে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালি শেষে অ্যালামনাই ও তাদের সন্তানদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৪টায় একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যায় পিঠা উৎসব, অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র্যাফেল ড্র ও আতশবাজির আয়োজন রয়েছে। আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা শেষে গালা ডিনারের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শেষ হয়।
শনিবার অ্যালামনাইরা তাদের নিজ নিজ আবাসিক হল পরিদর্শন করে স্মৃতিচারণ করবেন। পরে সকাল ১১টায় ১৯৯৬–৯৭ ব্যাচের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একটি উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
পুনর্মিলনীর আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা বলেন, ১৯৯৬–৯৭ সেশনের পুনর্মিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশ থেকে বন্ধু ও তাদের পরিবার-পরিজনের অংশগ্রহণ বন্ধুত্বের দৃঢ়তা ও অঙ্গীকারের উজ্জ্বল প্রমাণ। এই পুনর্মিলনী অতীতের স্মৃতি, বর্তমানের আনন্দ ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশাকে একসূত্রে বেঁধেছে। তিনি বলেন, পুনর্মিলনী উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারক ‘সতীর্থ ৯৬–৯৭’ এই মিলনমেলার স্থায়ী দলিল হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মূল্যবান আর্কাইভ হিসেবে কাজ করবে। প্রয়াত বন্ধুদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তিনি তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব এস. এম. মুসা তালুকদার চমক বলেন, রিইউনিয়ন কেবল একটি মিলনমেলা নয়; এটি পারস্পরিক সহযোগিতা, স্মৃতি সংরক্ষণ এবং সম্মিলিত লক্ষ্য নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ও সম্পর্ক আমাদের আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব স্মৃতি লিপিবদ্ধ করে ‘সতীর্থ ৯৬–৯৭’-এ সংরক্ষণ করা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ।
এসএইচ