ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি ও দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশি পদক্ষেপের প্রতিবাদে এবার দেশটির বিভিন্ন শহরে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানী দিল্লির পাশাপাশি বেঙ্গালুরু, মুম্বাই, চেন্নাই, চণ্ডীগড়, কলকাতা, পাটনা ও হায়দরাবাদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দিল্লির এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের আঞ্চলিক দলগুলোও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। সেখানে মিছিল শুরু হওয়ার আগেই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ আটক করে।
এদিকে মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক আগস্ট ক্রান্তি ময়দানেও বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশি কড়া নজরদারি এবং আটকের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে আন্দোলনকারীদের সরাতে গেলে এক নারী বিক্ষোভকারীকে আটকের সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে, যার একটি ছবি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস ফেডারেশন (এআইএসএফ) এবং অল ইন্ডিয়া ইয়ুথ ফেডারেশনের (এআইওয়াইএফ) কর্মীরা স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পাঞ্জাবের চণ্ডীগড়ে আম আদমি পার্টি (আপ) ও অন্যান্য সমমনা দলের পক্ষ থেকে প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংহতি মিছিলের ডাক দিয়েছেন। পাশাপাশি পাটনা ও হায়দরাবাদেও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের ব্যানারে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিলের খবর পাওয়া গেছে। রাজধানী দিল্লির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের অন্যান্য প্রান্তে এই অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
এসএইচ