বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন তিনি।
শপথ অনুষ্ঠানে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশে এর আগেও কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকায় দেশটির সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত। সেই অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে আবার ফিরে যেতে পারছি—এতে আমি সত্যিই আনন্দিত।”
নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। দূতাবাসের এক বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশের জন্য নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেওয়া ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে তারা আনন্দিত।
বাংলাদেশে নিজের লক্ষ্য ও অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে কর্মরত আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি দক্ষ ও শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দিতে তিনি আগ্রহী। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করাই তার মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিগত লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করতে এবং প্রতিদিন নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি উচ্ছ্বসিত।”
পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১২ জানুয়ারি ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত এই কূটনীতিক ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি এর আগেও ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে দায়িত্ব পালন করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের প্রেসিডেন্সির সময়, ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে কাজ করেন।
উল্লেখ্য, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৭তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এম