নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্ধারিত উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এর আগে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেক রহমানকে দলের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয় বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের কারণে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো সফরের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে এই সফর শুরু হওয়ার কথা ছিল।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১১ থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চার দিনের সফরে তারেক রহমানের টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাটে যাওয়ার কথা ছিল।
বিএনপির মহাসচিব আরও জানান, এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদসহ অন্যান্য শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং কিছু পারিবারিক দায়িত্ব পালন। তবে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপি চেয়ারপারসনের সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল নানাভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দলের নেতাদের ওপর, বিশেষ করে বিএনপির নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটছে।
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছি এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছি। এ ধরনের সহিংসতা অব্যাহত থাকলে দেশের নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
এম