• ঢাকা
  • শনিবার, ০২ মার্চ, ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০

বিয়ে বাড়ীতে মাংস কম দেওয়ায় ২ পক্ষের সংঘর্ষ, বরের পিতা নিহত


নীলফামারী প্রতিনিধি মার্চ ৪, ২০২৩, ০৭:১৯ পিএম
বিয়ে বাড়ীতে মাংস কম দেওয়ায় ২ পক্ষের সংঘর্ষ, বরের পিতা নিহত

নীলফামারী : নীলফামারীর জলঢাকায় পূত্রবধুকে বরণ করতে এসে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বরের পিতা নুরু মিয়া (৬২) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নববধুকে না নিয়ে, ফিরে যেতে হয়েছে বর পক্ষকে। 

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৩ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টায় জলঢাকা পৌরসভার আমরুল বাড়ী গ্রামে। এ ঘটনায় কনের বাবা ও স্থানীয় এক ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করেছেন।

শনিবার (৪ মার্চ) সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত এক সপ্তাহ পূর্বে রংপুর নগরীর হাজির হাট উত্তম বাওয়াই পাড়া গ্রামের বাসিন্দা নুরু মিয়ার পূত্র জবান আলী (২২) এর সাথে পারিবারিক আলোচনা সাপেক্ষে জলঢাকা পৌরসভার আমরুল বাড়ী গ্রামের আনারুল ইসলাম ভান্ডারী (৫৫)এর মেয়ে জান্নাতি আক্তার (২০) এর সাথে বিবাহ হয়।

শুক্রবার আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে নববধুকে নিতে আসেন বর পক্ষের লোকজন। বর পক্ষের একশত জন মেহমান আসার কথা থাকলেও, সেখানে এসেছেন প্রায় আড়াইশত জন। এতে খাওয়ার সময় মাংস কম পান বর পক্ষের লোকেরা, এ নিয়ে কনে পক্ষের সাথে বর পক্ষের বাকবিতন্ডা হয়, একপর্যায়ে দুই পক্ষের হাতাহাতি ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে বরের পিতা আহত হলে উদ্ধার করে স্থানীয় ব্যক্তি ফরিদুল ইসলাম জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে, হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষনা করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে লাশ থানায় নিয়ে যান।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে কনের বাড়ী পরিদর্শনে আসেন এ্যাডিশনাল এসপি আমিরুল ইসলাম, জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ কবির, পৌর মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু সহ জনপ্রতিনিধিরা। তবে কনের বাড়ীতে কাউকে পাওয়া যায়নি, ভয়ে সকলে পালিয়ে গেছেন বলে জানান প্রতিবেশিরা।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ কবির বলেন, মৃত্যের ছেলে (বর) আলী বাদী হয়ে শনিবার বিকেলে একটি হত্যা মামলা এজাহার দাখিল করেন, মামলার এজাহারভুক্ত ২ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে অন্য আসামীদের গ্রেফতার করা হবে। মৃত্যের লাশ জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সোনালীনিউজ/এমএএইচ

Wordbridge School
Link copied!