• ঢাকা
  • বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১

আমতলীতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, টাকা ও স্বর্নলঙ্কার লুট, আহত ৭


আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৩, ০৪:০৮ পিএম
আমতলীতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, টাকা ও স্বর্নলঙ্কার লুট, আহত ৭

আমতলী: বরগুনার আমতলীর চালিতাবুনিয়া বাঁশতলা গ্রামে শেখ হাসিনা সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের পূর্ব পাশে সোমবার গভীর রাতে এক দুধর্ষ ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে। ডাকাতরা দেড় লক্ষাধিক টাকা এবং ৩ ভরি স্বর্ন লুট করে নিয়ে যায় এবং তাদের হামলায় গৃহকর্তা এবং তার মেয়েসহ ৭জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে রামদার কোপে আহত নুসরাত জাহানকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আমতলী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে চাওড়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া শেখ হাসিনা সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের পূর্ব পাশে বাঁশতলা গ্রামের মৃত ছয়জদ্দিন খলিফার ছেলে ইউসুব জামান খলিফার বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ইউসুব জামান তার দুই মেয়ে নুসরাত জাহান ও তামান্না এবং স্ত্রী ফিরোজা বেগম ও নাতিদের নিয়ে ২ ইউনিটের বাসায় বসবাস করে আসছেন।

সোমবার রাত আনুমানিক আড়াইটার সময় ৪-৫ জনের একটি ডাকাত দল সামনের লোহার মুল গেট ও কাঠের দরজা শাবল দিয়ে ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে ঘরের সকল লোকজনকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা নগদ ১লক্ষ ৬৬ হাজার টাকা এবং ৩ ভড়ি স্বর্নলঙ্কার ও ৮টি মোবাইল ফোন লুট করে নেয়। টাকা ও স্বর্ন লুটের সময় গৃহকর্তা ইউসুব জামান ও তার মেয়েরা বাধা দিলে ডাকাতরা তাদের উপর রামদা এবং লোহার রড দিয়ে হামলা করে।
 
হামলায় রামদার এলোপাথারি কোপে নুসরাত জাহান (৩২) মাথা, হাত এবং পায়ে আঘাতের ফলে গুরুতর আহত হন। আহত নুসরাতকে ওই রাতেই মুমুর্ষ অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। আহত অন্যরা হল গৃহকর্তা ইউসুব জামান (৬৬), স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৫৫), মেয়ে তামান্না (২৫) তার স্বামী নাদিম হোসেন (৩০) ছোট মেয়ে ইন্নি (১৮) ও নাতি আরোশী (৮) তাদেরকে আমতলী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গৃহকর্তা ইউসুব জামান জানান, রাত আনুমানিক আড়াইটার সময় ৪-৫ জনের একটি ডাকাত দল বাড়ির লোহার গেট এবং ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে আমাদের সকলকে জিম্মি করে টাকা স্বর্নলঙ্কার এবং ৮টি মোবাইল সেট নিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন, আমাদের উপর হামলার সময় ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।

ইউসুব জামান আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট এমএ কাদের মিয়ার বেয়াই এবং বরগুনা জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য এ্যাডভোকেট আরিফ উল হাসান এর শ্বশুর।

ডাকাতির খবর পেয়ে রাতেই আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী শাখয়াত হোসেন তপু ও সোমবার সকালে ডিবির ওসি মো. বশির আলম ও বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোজাম্মেল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী শাখয়াত হোসেন তপু বলেন, এখনো কোন মামলা হয়নি। তবে এঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং সন্দেহভাজনদের আটকের চেষ্টা চলছে।

এমএস

Wordbridge School
Link copied!