ছবি : প্রতিনিধি
রাজশাহী: আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সিল্কের পোশাক কিনতে শোরুমগুলোতে ক্রেতারা ভিড় করছেন। জমজমাট কেনাবেচা শুরু হয়েছে।
আকর্ষণীয় সব ডিজাইনের শাড়ি, থ্রিপিস ও পাঞ্জাবি কিনতে ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছেন শোরুমগুলোতে। পোশাকে নানা ধরনের বৈচিত্র্য আসায় তা ক্রেতাদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করছে; তবে দাম নিয়ে তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
শাড়িতেই ফুটে ওঠে নারীর আসল সৌন্দর্য। আর তা যদি হয় সিল্কের, তাহলে তো কথাই নেই। এই চাহিদাকে কেন্দ্র করেই রাজশাহীর সিল্ক শোরুমগুলোতে এখন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। বরাবরের মতো এবারও নারীদের প্রথম পছন্দ আকর্ষণীয় ও চোখ ধাঁধানো ডিজাইনের রেশমি শাড়ি। পাশাপাশি রুচিশীলতা ও আভিজাত্যের কারণে ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী সিল্কের থ্রিপিসের চাহিদাও রয়েছে বেশ। পিছিয়ে নেই ছেলেরাও; তাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে সিল্কের পাঞ্জাবি।
ঈদের এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে রাতদিন কাজ করছেন সিল্কপল্লির কারিগররা। তাদের নিপুণ হাতে তৈরি শাড়ি, থ্রিপিস, পাঞ্জাবিসহ নানা ধরনের পোশাক এরই মধ্যে শোরুমগুলোতে শোভা পাচ্ছে। ঈদে নিজেদের এবং পরিবার-পরিজনের জন্য পছন্দের পোশাকটি কিনে নিচ্ছেন ক্রেতারা।
সিল্কের পোশাকের দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বারো রাস্তার মোড় এলাকার শফিক নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘সপুরা সিল্কে গিয়েছিলাম বউয়ের জন্য শাড়ি আর নিজের জন্য একটা পাঞ্জাবি কিনতে। কিন্তু দাম শুনে কাপড় না নিয়েই চলে এসেছি।’
তবে ওই একই শোরুমে আসা হাবিবুর রহমান নামের অপর এক ক্রেতার মতে, পোশাকের দাম তাদের সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে।
সুতা ও কাঁচামালের দাম বাড়ায় সিল্কের পোশাকের দামও কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সপুরা সিল্কের ম্যানেজার সাইদুর রহমান বলেন, ‘চিন থেকে সুতা আমদানি করতে হয়। এজন্য পোশাকের দাম কিছুটা বেড়েছে, এটা সত্য।’ তবে ঈদ উপলক্ষে অনেক শোরুম মালিক ক্রেতাদের জন্য আকর্ষণীয় মূল্যছাড় দিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
বিক্রেতারা জানান, শোরুমগুলোতে রাজশাহী সিল্কের শাড়ি ৩ হাজার থেকে ৫৫ হাজার টাকা, পাঞ্জাবি ৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা এবং থ্রিপিস ৬ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৩২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
বর্তমানে রাজশাহীতে ১০টির মতো সিল্কের শোরুম রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে এই শোরুমগুলোতে প্রতিদিন কোটি টাকার পোশাক বেচাকেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
পিএস







































