লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কক্ষে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জুয়েল হোসেন নিরবকে মারধরের ঘটনায় মামলার প্রধান অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহমান শাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার উত্তর তেমুহনী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার আব্দুর রহমান শাহেদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি দালালবাজার ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন। আহত জুয়েল হোসেন নিরব পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, একটি মুঠোফোন কেনাবেচা নিয়ে জুয়েল ও শাহেদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। গত রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে এ বিরোধের জেরে প্রথমে সাহাপুর এলাকায় জুয়েলের ওপর লাঠি দিয়ে হামলা চালানো হয়। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসা নিতে তিনি লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে গেলে শাহেদের নেতৃত্বে একদল যুবক জরুরি বিভাগের কক্ষে ঢুকে তাঁর ওপর আবারও হামলা চালায়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা কাঠের চেয়ার, কিল, ঘুষি ও লাথি দিয়ে জুয়েলকে মারধর করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। এ সময় হাসপাতালের আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়। জরুরি বিভাগের ভেতরে মারধরের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
গুরুতর আহত জুয়েলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে হাসপাতালের ভেতরে হামলার ঘটনায় সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শাহেদকে ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই রাতে জুয়েলের বাবা বাদী হয়ে শাহেদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও আটজনকে আসামি করে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় মামলা করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, মামলার প্রধান অভিযুক্ত শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এম







































