ফাইল ছবি
ঢাকা: দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে পাঁচ নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ রাখা সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের জন্য বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রতি শিফটে কমপক্ষে পাঁচজন মেডিকেল অফিসার উপস্থিত থাকতে হবে। অর্থাৎ প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিকেল অফিসার নিশ্চিত করতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সিভিল সার্জনদের যেসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে হবে সেগুলো হলো—
* জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে প্রতি মাসে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ করতে হবে।
* চিকিৎসকদের নাম, বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর এবং মোবাইল নম্বরসহ হালনাগাদ তালিকা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জমা নিশ্চিত করতে হবে।
* ডিউটি রোস্টার ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত যাচাই-বাছাই এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা করতে হবে।
* প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক উপস্থিত না থাকলে বা ভুল কিংবা অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে।
* মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, রোগীদের নিরাপদ, মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সব সিভিল সার্জনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
পিএস







































