মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে কূটনৈতিক অচলাবস্থা অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম। বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বেড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে তেলের বাজারে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) গ্রিনিচ মান সময় দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে জুন ডেলিভারির ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৪৫ সেন্ট বা ০.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৮.৬৮ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগের সেশনে এই সূচক ২.৮ শতাংশ বেড়েছিল, যা টানা সপ্তম দিনের মতো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নির্দেশ করে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের জুন চুক্তির দাম ৫৮ সেন্ট বা ০.৬ শতাংশ বেড়ে ৯৬.৯৬ ডলারে পৌঁছেছে। আগের ট্রেডিং সেশনেও এই সূচক ২.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সরবরাহ ঝুঁকি এবং কূটনৈতিক অগ্রগতির অভাব বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে, যা তেলের দামকে ঊর্ধ্বমুখী রেখেছে।
এদিকে হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার বিষয়ে তারা প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে অনাগ্রহী। সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের সহকারী প্রেস সেক্রেটারি ওলিভিয়া ওয়েলস বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় গণমাধ্যমের মাধ্যমে কোনো ধরনের কূটনৈতিক আলোচনা চালানো হবে না।
তিনি আরও জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট—যুক্তরাষ্ট্র তার স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার নিশ্চয়তা পেলেই কেবল কোনো চুক্তির দিকে এগোবে।
বিশ্ববাজারে এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য নতুন চাপ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।
এম







































