ঢাকা: বাজারে ফেডের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা চলায় দুই মাসের সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে স্বর্ণের দাম কিছুটা বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৩% বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২২.৯৯ ডলারে দাঁড়ায়। বুধবার এটি ৫ আগস্টের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। সে সময় শক্তিশালী ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের উচ্চতর ইয়িল্ড স্বর্ণের দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল।
ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ০.১৮% বেড়ে ৪ হাজার ১৪৭.৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
ফেডের নীতিনির্ধারকেরা গত মাসে সুদের হার বাড়ানোর যৌক্তিকতা নিয়ে বিভক্ত ছিলেন। বৈঠকের কার্যবিবরণীতে দেখা যায়, “কিছু অংশগ্রহণকারী” মনে করেছিলেন যে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের দামের ধাক্কার প্রভাব নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুদের হার বাড়ানো প্রয়োজন। তবে আরও কড়াকড়িপন্থী একটি অংশ মনে করেছিল, চাহিদাজনিত মূল্যস্ফীতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে সুরক্ষা দিতে সুদের হার বাড়ানো দরকার।
এফএক্সটিএমের সিনিয়র গবেষণা বিশ্লেষক লুকমান ওতুনুগা বলেন, “ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ানো এবং বছরের শেষ নাগাদ ফেডের সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশার কারণে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ১০০ ডলারের ওপরে ওঠানামা করছে।”
তিনি আরও বলেন, “শক্তিশালী ডলার এবং ট্রেজারি ইয়িল্ড আরও স্বর্ণের দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।”
“প্রযুক্তিগত চিত্রও নিম্নমুখী ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ৪ হাজার ১০০ ডলারের নিচে টেকসইভাবে নেমে গেলে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ডলারের দিকে যাওয়ার পথ খুলে যাবে। অন্যদিকে ৪ হাজার ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান ধরে রাখতে পারলে দাম আবার ৪ হাজার ২০০ ডলারের দিকে উঠতে পারে।”
ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিক থেকে, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে গত সপ্তাহে ট্যাংকারে হামলার সংখ্যা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরুর পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা দুই মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। শিপিং-সংক্রান্ত তথ্য থেকে এ বিষয়টি জানা গেছে।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রূপার দাম ২.২% কমে প্রতি আউন্স ৫৮.৮৪৭৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ১.৬% বেড়ে ১ হাজার ৬৫৬.৮৮ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৮% বেড়ে ১ হাজার ১৩৩.৬৫ ডলারে উঠেছে।
পিএস







































