টানা দরপতনের পথে স্বর্ণ

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: অক্টোবর ২, ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
টানা দরপতনের পথে স্বর্ণ

ফাইল ছবি

ঢাকা: মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়া এবং ট্রেজারি বন্ডের ফলন বাড়ায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন অব্যাহত রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কর্মসংস্থান বা পে-রোলসের তথ্য প্রকাশের আগে শুক্রবার স্বর্ণের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের সাপ্তাহিক দরপতনের পথে রয়েছে মূল্যবান এই ধাতুটি।

শুক্রবার স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ছিল প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৮১ দশমিক ৫৯ ডলার। চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ২ শতাংশের বেশি কমেছে। তবে মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২১২ ডলারে উঠেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল মার্কিন মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর চলতি মাসে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় স্বর্ণ কিছুটা সমর্থন পাচ্ছে।

বুধবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার তুলনায় কম বেড়েছে। CME FedWatch Tool-এর তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা এখন প্রায় ২৬ শতাংশ, যা সপ্তাহের শুরুতে ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারকেরা ভবিষ্যৎ সুদের হার নিয়ে বিভক্ত অবস্থানে রয়েছেন। কেউ কেউ আরও তথ্য পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষে, আবার কেউ কেউ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আরও এক দফা সুদের হার বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন।

বাজারের নজর এখন যুক্তরাষ্ট্রের সেপ্টেম্বরের নন-ফার্ম পে-রোলস প্রতিবেদনের দিকে। শুক্রবার ১২৩০ GMT-তে প্রতিবেদনটি প্রকাশের কথা রয়েছে। রয়টার্সের অর্থনীতিবিদদের জরিপ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে নন-ফার্ম পে-রোলস ৯০ হাজার বাড়তে পারে। আগস্টে এই সংখ্যা বেড়েছিল ১ লাখ ৬২ হাজার।

এদিকে, উচ্চ বন্ডের ফলন স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি করছে। কারণ স্বর্ণ কোনো সুদ দেয় না। ফলে বন্ডের ফলন বাড়লে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ-ব্যয় বেড়ে যায়।

শুক্রবার মার্কিন ডলারও সাপ্তাহিক বৃদ্ধির পথে ছিল। একই সঙ্গে ১০ ও ৩০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন বৃহস্পতিবার ২০০২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

তবে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬১ দশমিক ২১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৩৫ দশমিক ৯০ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১৯১ দশমিক ২০ ডলারে উঠেছে। যদিও তিনটি ধাতুই সাপ্তাহিক দরপতনের পথে রয়েছে।

পিএস

Link copied!