ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: শিক্ষাবাজেটে ঘাটতি, শিক্ষক ও কর্মী সংকট এবং পুরোনো ভবনে শিক্ষাদানের প্রতিবাদে ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়ায় ও সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় দেশজুড়ে ৪০০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে ফরাসি সরকার।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফ্রান্সের শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার্দ গেফ্রে জানিয়েছেন, আন্দোলনে সহিংসতার কারণে বিদ্যালয়ের ৬৫ জন কর্মী ও শিক্ষক আহত হয়েছেন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে, অনলাইনে ক্লাস বা দূরশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক ও কর্মচারীর অভাব, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি এবং অবহেলিত জরাজীর্ণ ভবনের যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে মূলত এই বিক্ষোভের সূত্রপাত।
গত বৃহস্পতিবার বিক্ষুদ্ধ উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরাও এই আন্দোলনে যোগ দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এ পর্যন্ত ১,৯৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংঘর্ষে অন্তত ৩০৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।
ফ্রান্সের ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় বা 'লাইসি'-তে গত সপ্তাহে এই পিকেটিং ও বিক্ষোভ শুরু হয়, যা পরবর্তীতে দেশজুড়ে শত শত স্কুলে ছড়িয়ে পড়ে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ১,০২৭টি লাইসি বা উচ্চবিদ্যালয় এই আন্দোলনের কারণে প্রভাবিত হয়েছে, যার মধ্যে ২২২টিতে শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ অবরোধ সৃষ্টি করেছে।
পিএস