ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যাসিবাদের পতন এবং জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার গঠনের পর রাজপথে নতুন করে অস্থিতিশীলতা ও চক্রান্তের চেষ্টা না করে সবাইকে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।
শনিবার (১ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর ধরে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে তরুণ প্রজন্মের সাহসের সঙ্গে আমাদের অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘ সংগ্রামের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ যুক্ত হয়ে বিজয় নিশ্চিত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। গণঅভ্যুত্থান ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর এখন আর কারো রাজনৈতিক বিভ্রান্তিতে থাকার সুযোগ নেই, এখন সবার মূল কাজ দেশ গড়া।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টার বিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘একটি পক্ষ দেশ পুনর্গঠনের কাজে মনোযোগ না দিয়ে পার্লামেন্টের বাইরে রাজপথে নাটক তৈরি এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধের পরিবেশ সৃষ্টির চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। মনে রাখতে হবে, সরকার এই চক্রান্তের গভীরতা বোঝে। জনগণ দায়িত্ব দিয়েছে বলেই সরকার অত্যন্ত ধৈর্য ও অভিভাবকের মতো আচরণ করছে। তবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জনগণের কল্যাণে প্রয়োজন হলে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতেও দ্বিধা করবে না।’
তথ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, আন্দোলন কারো কারো পেশা হতে পারে, কিন্তু বিএনপির মূল লক্ষ্য ছিল ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। সে লক্ষ্য অর্জিত হওয়ায় এখন আমাদের একমাত্র অঙ্গীকার দেশের উন্নয়ন ও সংস্কার নিশ্চিত করা।
পিএস



























-20260725114857.jpg)










