• ঢাকা
  • শনিবার, ০১ আগস্ট, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

বিয়ের দাবিতে ২৫ বছরের প্রেমিকের বাড়িতে ২৮ বছরের নারীর অনশন


জেলা প্রতিনিধি আগস্ট ১, ২০২৬, ১১:০৬ এএম
বিয়ের দাবিতে ২৫ বছরের প্রেমিকের বাড়িতে ২৮ বছরের নারীর অনশন

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক নাঈম মিয়ার (২৫) বাড়িতে অনশনে বসেছেন সুমি আক্তার (২৮) নামে এক তরুণী।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অনশন সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাত ১২টা অব্দি উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের শিংলাবো এলাকায় প্রেমিকের বাড়িতে চলছিল।

অনশনরত সুমি আক্তার নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত নাঈম মিয়া সোনারগাঁওয়ের শিংলাবো এলাকার হেলাল মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত প্রায় দুই বছর ধরে সুমি ও নাঈমের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। সুমির দাবি, সম্পর্কের শুরু থেকেই নাঈম তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছিলেন।

কিন্তু সম্প্রতি তিনি বিয়ে নিয়ে গড়িমসি শুরু করেন এবং একপর্যায়ে সুমির সঙ্গে যোগাযোগ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। কোনো উপায় না পেয়ে নিজের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বাধ্য হয়ে প্রেমিকের বাড়িতে এসে অনশন শুরু করেছেন বলে জানান ওই তরুণী।

ভুক্তভোগী সুমি আক্তার বলেন, দীর্ঘদিনের এই সম্পর্কের পর এখন নাঈম তার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসছে। আমি আমার অধিকার আদায়ের জন্য এখানে এসেছি। বিয়ের সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত ও সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি এই অনশন চালিয়ে যাব।

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অনশনের খবর পেয়ে কৌতূহলী এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিষয়টি সামাজিক ও পারিবারিকভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নাঈম মিয়ার মা বলেন, মেয়ের মা আসুক। যদি এটি প্রমাণিত হয় যে আমার ছেলে সত্যিই ওই মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে যুক্ত ছিল, তবে আমরা পারিবারিকভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ে দিয়ে দেব।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত নাঈম মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার নম্বরে খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি। তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, উভয় পরিবারের মুরুব্বি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে দ্রুতই বিষয়টির একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সমাধান আসবে।

এ বিষয়ে তালতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জসিম জানান, আমরা বিষয়টি শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ না পাওয়ায় আমাদের পক্ষ থেকে আইনি কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এটি মূলত একটি সামাজিক বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এম

Link copied!