• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ


নিউজ ডেস্ক সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ

নেপালে আকস্মিক বন্যায় দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ২৬ আগস্টের ওই বন্যায় নেপালের বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি করা দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রও।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নেপালের সংবাদমাধ্যম কাঠমাণ্ডু পোস্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির প্রবাহ বাড়লে নেপালের জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদনও বেড়ে যায়। এ সময় দেশের চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রপ্তানি করে নেপাল।

ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে বাংলাদেশও সম্প্রতি নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু করেছিল। তবে বন্যায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বর্তমানে সেই সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

শুষ্ক মৌসুমে দেশটি গড়ে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করলেও বর্তমানে তা ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
কাঠমাণ্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, শীতকালে নেপালে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। একসময় এ সময় দেশটিকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে হতো। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ায় নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে নেপাল এখন আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হচ্ছে।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন পাওয়া নেপালের দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র হলো ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াটের চিলমি হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্প এবং ২৪ মেগাওয়াটের ত্রিশূলি হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্প।

বন্যায় কেন্দ্র দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গত সপ্তাহ থেকে সেগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। কেন্দ্র দুটি ভারতের গ্রিড ব্যবহার করে মার্কিন ডলারে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছিল।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ কাঠমাণ্ডু পোস্টকে বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দুটি কেন্দ্রই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে বিকল্প কোনো প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর সুযোগ দিতে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে।

বন্যায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নেপালে এক হাজার ২০৪ জন এবং তিব্বতে ২১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৪ হাজার ৭৫৭ জন।

এম

Link copied!