• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ


নিউজ ডেস্ক সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১০:৩০ এএম
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ। হিজরি ১৪৪৮ সনের রবিউস সানি মাসের ১১ তারিখ উপলক্ষে আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনটি স্মরণ করা হচ্ছে।

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশে রবিউস সানি মাস শুরু হওয়ায় এ বছর আজ (২৩ সেপ্টেম্বর) ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম পালিত হচ্ছে।

‘ইয়াজদাহম’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ এগারো। আর ‘ফাতেহা’ বলতে সাধারণভাবে সুরা ফাতিহা পাঠ, কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও ইসালে সওয়াবের আয়োজনকে বোঝানো হয়। দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম সমাজে রবিউস সানির ১১ তারিখটি মূলত প্রখ্যাত সুফিসাধক বড়পীর আবদুল কাদের জিলানি (রহ.)-এর স্মরণে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম নামে পরিচিত।

এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা, খানকা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া, মিলাদ ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এসব আয়োজনে আবদুল কাদের জিলানি (রহ.)-এর জীবন, দ্বীনি শিক্ষা, আত্মশুদ্ধি, নৈতিকতা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বড়পীর আবদুল কাদের জিলানি (রহ.) ইসলামের ইতিহাসে সুপরিচিত আলেম ও সুফিসাধক। তিনি ইরানের জিলান অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন এবং পরবর্তী সময়ে বাগদাদে গিয়ে জ্ঞানচর্চা ও দ্বীনি শিক্ষাদানে আত্মনিয়োগ করেন।

তাঁর সঙ্গে কাদেরিয়া তরিকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে এবং মুসলিমবিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাঁর শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক সাধনার প্রভাব বিস্তার করে।

তাঁর নামে প্রচলিত ও বহুলপঠিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘আল-গুনিয়াতু লিতালিবি তারিকিল হক’, ‘ফাতহুল গায়ব’ ও ‘আল-ফাতহুর রব্বানি’ উল্লেখযোগ্য। তাঁর জীবন ও রচনায় তাওহিদ, ইবাদত, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া, নৈতিকতা এবং শরিয়তের বিধান পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা তাঁর নেক বান্দাদের সম্পর্কে বলেন, ‘জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহর বন্ধুদের কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।’ (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ৬২)

প্রচলিত ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, আবদুল কাদের জিলানি (রহ.) ৫৬১ হিজরির ১১ রবিউস সানিতে বাগদাদে ইন্তেকাল করেন।

এ কারণেই রবিউস সানির ১১ তারিখ তাঁর স্মরণে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। 

বাংলাদেশে এদিন উপলক্ষে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণত কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ শরিফ, দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসব আয়োজনে মরহুম আলেম-ওলামা ও বুজুর্গদের জন্যও মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শ্রদ্ধাভরে তাঁদের দ্বীনি অবদান স্মরণ করা হয়।

এম

Link copied!