বিশ্বকাপ শেষে ক্লাব ফুটবলে শুরুর একাদশে ফিরেই জানিয়ে দিলেন, তার জাদু এখনো অটুট। এক গোল পিছিয়ে পড়া ইন্টার মায়ামিকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে জোড়া গোল ও একটি অ্যাসিস্টে ৪–২ গোলের দারুণ জয়ে ভাসালেন লিওনেল মেসি। লিগস কাপের নতুন আসর শুরু হলো আর্জেন্টাইন মহাতারকার ঝলমলে প্রত্যাবর্তনের গল্প দিয়ে।
মায়ামির এনইউ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য স্বাগতিকদের জন্য সুখকর ছিল না। চতুর্থ মিনিটেই ডেভিড রদ্রিগেজের হেডে এগিয়ে যায় সান লুইস। তবে প্রতিপক্ষের সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি মেসি। নোয়া অ্যালেনের বাঁ দিক থেকে ভেসে আসা ক্রসে দুর্দান্ত ভলিতে সমতায় ফেরান তিনি।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে ফাইনাল খেলার পর ক্লাবে ফিরেই এটি ছিল মেসির দ্বিতীয় ম্যাচ। তার অনুপস্থিতিতে এমএলএসে ইন্টার মায়ামিকে সামলেছিলেন লুইস সুয়ারেজ। তবে ২০২৫ লিগস কাপের ফাইনালের পর পাওয়া ছয় ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি উরুগুইয়ান তারকা।
প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে আবারও আলো ছড়ান নোয়া অ্যালেন। তার নিখুঁত পাস থেকে গোল করেন তেলাসকো সেগোভিয়া। সেই গোলেও অ্যাসিস্ট ছিল মেসির। এরপর অ্যালেনের আরেকটি পাস ধরে বক্সের ভেতরে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই কর্নার থেকে মিকায়েলের হেডে ৪–১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইন্টার মায়ামি।
মেসির দ্বিতীয় গোলটি ছিল লিগস কাপে তার পা থেকে ১৪তম গোল। এতে ২০২৩ সালের পর টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেন তিনি। পেছনে ফেলেছেন এলএএফসির ডেনিস বুয়াঙ্গাকে। একই সঙ্গে লিগস কাপে ১২ ম্যাচে এটি ছিল মেসির পঞ্চম জোড়া গোলের রেকর্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে সার্জিওর দূরপাল্লার দুর্দান্ত গোলে ব্যবধান কিছুটা কমায় সান লুইস। পরে ভারী বৃষ্টির কারণে কিছু সময়ের জন্য খেলা বন্ধ থাকে। বিরতির পর কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত ৪–২ গোলের জয় নিয়েই লিগস কাপ অভিযান শুরু করে ইন্টার মায়ামি।
বিশ্বকাপে স্পেনের কাছে ফাইনালে হেরে রানার্সআপ হওয়া মেসি এবার ক্লাব ফুটবলেও শুরুটা করলেন দুর্দান্তভাবে। লিগস কাপে ইন্টার মায়ামির পরের ম্যাচ শনিবার মন্টেরের বিপক্ষে।
এম







































