বরগুনার তালতলী উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রেমিক ও তাঁর তিন সহযোগীর বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রেমের পর বিয়ের আশ্বাসে ওই নারীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী বাদি হয়ে প্রেমিক মোঃ হিরন হাওলাদার রিপনসহ অজ্ঞাত আরও তিন জনকে আসামি করে তালতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরআগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত হিরন হাওলাদার রিপন উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া এলাকার মানিক হাওলাদারের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫-১৬ দিন পূর্বে পটুয়াখালীর মহিপুর এলাকার একটি মাছের আড়তে ভুক্তভোগী ওই নারীর সঙ্গে দেখা হয় অভিযুক্ত মোঃ হিরন হাওলাদার রিপনের। পরে ওই নারীর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর নিয়ে যায় রিপন। পরবর্তীতে ওই নারীর সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ফোনে কথা বলার এক পর্যায়ে বিবাহের প্রস্তাবও দেন তিনি। এরপর গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মহিপুর থেকে ভুক্তভোগী ওই নারীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মোটরসাইকেল যোগে উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া এলাকায় ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে এসে আটকে রেখে রাতে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন রিপন। এরপর অজ্ঞাত আরও তিন জন ওই ঘরে প্রবেশ করে রিপনের সম্মতিতে ওই ভুক্তভোগী নারীকে হাত-পা চেপে ধরে জোর পূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী অভিযুক্ত রিপনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত তিন জনকে আসামি করে তালতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, 'বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলা একজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ কাজ করছেন।
এম