মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

  • নীলফামারী প্রতিনিধি | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে মাকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে আপন ছেলের বিরুদ্ধে। খরব পেয়ে বুধবার রাত ১২টার দিকে পুলিশ ছেলে জুয়েলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার করেন।

ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া গ্রামে। নিহত মা হলো মারুফা বেগম (৬০)। সে ওই গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী।  পুলিশ আসার আগে ছেলে জুয়েল পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করা হয়েছে।

নিহতের আরেক ছেলে লাভিন মিয়া জানায়, ৩ ভাইয়ের মধ্যে এক ভাই মারা গেছে। অপর ভাই জুয়েল মিয়া বাড়িতে থাকে আর আমি ঢাকায় থাকি। ৩০ মে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসি। একই দিন ভাই জুয়েলের উপর রাগ করে ভাবি তার ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যায়। পরের দিন রোববার আমার ঘরে মাকে থাকার কথা বলে শ^শুরবাড়ি জলঢাকার দুন্দিবাড়ি যাই। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে বাড়িতে এসে মাকে না পেয়ে খুঁজতে থাকি কিš‘ কোথাও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে আমার স্ত্রী বাড়িতে এসে আমার ঘরের বিছানার তোষক ঠিক করতে গিয়ে রক্ত দেখতে পায়। চিৎকার করলে আমি ঘরে গিয়ে রক্ত দেখে আতংকিত হয়ে পড়ি। পরবর্তীতে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায় আমার ভাই জুয়েলের থাকার ঘরের মেঝের মাটিতে ফাটল ও কাঁচা মাটি দেখতে পাই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা¯’লে এসে রাত  ১২ টার দিকে ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার করেন।  

কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লুৎফর রহমান জানান ঘটনা¯’লে গিয়ে  ছেলে জুয়েলের ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের মাথার সামনে বাম দিকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হ”েছ দুই দিন আগে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে লাশ পুতে রাখা হয়। অভিযুক্ত  জুয়েল পালিয়ে গেলেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জুয়েলের স্ত্রী হাসি বেগম (৩৫) ও জুয়েলের ছেলে গোলাম রাব্বীকে (১৮) থানায় আনা হয়েছে।

এম