ঢাকা: বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মকসুদ বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত তদন্ত এবং পরিদর্শন করেছি প্রায় ২০০টি। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছি ১৪৮৮ কোটি টাকা, যার মধ্যে আদায় হয়েছে ৫ কোটি টাকা। এছাড়া ১৬টি ইস্যু দুদকে পাঠানো হয়েছে এবং ৬টি মামলা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের জরিমানা আদায় পরিমাণ কম হওয়ার কারণ আমরা যে ব্যবস্থা নিয়েছি তার বিপরীতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর আদালতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে যার ফলে অনেক সময় লাগছে।
রোববার (০৮ মার্চ) ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরামের আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় রাশেদ মকসুদ বলেন, গত ১৮ মাসে ৬টি মিউচুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে ১৫৫ কোটি টাকা তোলার সুযোগ করে দেওয়া হয়ছে। আইপিও সিস্টেমে ডিজিটাইজড কাজ অনেকটা এগিয়ে আছে। খুব দ্রুত এটা ডিজিটাইজড হয়ে যাবে। আমাদের সমস্ত ইকো সিস্টেমটা যদি সঠিক থাকতো তাহলে এতো সমস্যা হতো না।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম বলেন, গত সরকারের সময় পুঁজিবাজার তেমন গুরুত্ব পায়নি। বর্তমান সরকার যেহেতু ইশতেহারে পুঁজিবাজারকে গুরুত্ব দিয়েছে আশা করছি বাজারের উন্নয়নে কাজ করবে সরকার।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজার আমাদের অর্থনীতির জন্য ভালো একটা জায়গা হিসেবে স্টাবলিশড হবে সেই প্রত্যাশা করছি।
এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান বলেন, পৃথিবীর কোন দেশ নেই যেখানে পুঁজিবাজার ছাড়া ইন্ডাস্ট্রিলাইজেশন সম্ভব না। সেখানে আমরা পারছি না কেন? আপনি ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছেন সেটা নির্দিষ্ট সময় ফেরত দিতে হয় আবার সুদ দিতে হয়। তাহলে পুঁজিবাজারে লং টার্ম টাকা তোলার বা ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও আসছে না কেন?
তিনি বলেন, এমন কোন কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা যাবে না, যারা আগামী বছরের পর লভ্যাংশ দিতে পারবে না, তাদের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা যাবে না।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশনের সেক্রেটারির সুমিত পোদ্দারসহ অনেকে।
এএইচ/পিএস