জ্বালানি সরবরাহের চাপের মধ্যেই চীনের ইউনিপেক প্রতিষ্ঠান চুক্তি অনুযায়ী ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজে ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে এসেছে। বিপিসি সূত্র জানায়, ডিজেল পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যবহার করা হবে, জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হবে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে।
বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী জাহাজটি এসেছে এবং এখন জ্বালানিসংকট নেই। এ মাসে ১৭টি জাহাজ দেশে আসার কথা থাকলেও এর আগে আটটি এসেছে, আজ একটি এসেছে এবং ছয়টির সূচি অনিশ্চিত।
বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৬৫-৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করে থাকে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে, বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত অবস্থায় ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকে আসে।
বর্তমানে দেশে ১৩ দিনের ডিজেল ও ২৫ দিনের জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে। এপ্রিলে সমুদ্রপথে ১৪টি জাহাজ ও পাইপলাইনে ৩টি পার্সেলের মাধ্যমে ৩ লাখ টন ডিজেল, ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৫ হাজার টন অকটেন এবং ৫০ হাজার টন ফার্নেস তেল আমদানি করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল ও পাইপলাইনে ২০ হাজার টন সরবরাহের নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে।
এসএইচ