ঢাকা: বাংলাদেশ মূলতঃ আমদানিনির্ভর দেশ। জনগনের নিরাপদ জীবনযাত্রা, শিল্প ও কৃষি উৎপাদন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রয়োজনে আমাদেরকে অনেক পণ্য আমদানি করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের আমদানি নীতিতে শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় অনেক অসামঞ্জস্যতা ও দূর্বলতা থাকার কারণে বিশেষত নতুন গাড়ি আমদানি প্রক্রিয়ায় সরকার অনেক রাজস্ব হারাচ্ছে। একইসাথে বারভিডা আমদানি বাণিজ্যে অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখিন হচ্ছে।
এরূপ পরিস্থিতিতে বারভিডা রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি বাণিজ্যে নির্ধারণের প্রস্তাব করছে। এর মাধ্যমে আমদানি পর্যায়ে রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ কমে আসবে এবং সরকারের রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি পাবে।
প্রস্তাবিত বাজেটে বারভিডার উল্লেখযোগ্য ১১ প্রস্তাবনা হলো-
১. ব্যবহৃত, পুরনো বা পুনঃসংস্কারকৃত মোটরগাড়ি ও যানবাহনের সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং অবচয় প্রদানের উদ্দেশ্যে গাড়ির বয়স গননা পদ্ধতি সংশোধনের প্রস্তাব; ২. ডিলার্স কমিশন বিয়োজন সংক্রান্ত প্রস্তাব; ৩. অবচয় হার পুনঃনির্ধারণ সংক্রান্ত প্রস্তাব। ৪. অবচয় হার পুনঃনির্ধারণ সংক্রান্ত প্রস্তাব (বিকল্প প্রস্তাব)। ৫. হাইব্রিড গাড়ির সিসি স্ল্যাব ও সম্পুরক শুল্ক হার পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব। ৬. হাইব্রিড গাড়ির সিসি স্ল্যাব ও সম্পুরক শুল্ক হার পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব (বিকল্প প্রস্তাব)। ৭. প্ল্যাগ-ইন হাইব্রিড গাড়িসমূহকে বৈদ্যুতিক গাড়ি হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব। ৮. স্টেশন ওয়াগনসহ স্বল্প-সিসির গাড়ির সম্পূরক শুল্ক পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব। ৯. গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত ১০ হতে ১৩ আসনবিশিষ্ট হাইয়েস প্রকৃতির মাইক্রোবাসের সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব। ১০. পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এর আমদানি শুল্ক সংক্রান্ত প্রস্তাব। ১১. পিক-আপ এর আমদানি শুল্ক সংক্রান্ত প্রস্তাব।
এএইচ/পিএস