দুই বছরে ন্যূনতম একটি আইপিও আনতে হবে ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানিকে

  • সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানি ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর ওপর শর্ত প্রতিপালনে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। 

লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কোম্পানি বা আইপিও আনতে ব্যর্থদের সতর্ক করেছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এই সভায় কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশের সব মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। 

সভায় বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন এবং বিনিয়োগকারীদের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিতে কমিশন কাজ করছে।

তিনি জানান, ইস্যু ম্যানেজারদের নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী প্রতি দুই বছরে অন্তত একটি নতুন কোম্পানি বা আইপিও আবেদন আনতে হবে। এ সময় তিনি আরও জানান, পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করতে যাচ্ছে কমিশন। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় পুঁজিবাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল, নতুন ইস্যুয়ার কোম্পানি তালিকাভুক্তি, ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিকে বাজারে আনা, পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিতে সুশাসন নিশ্চিত করা, তালিকাভুক্তির প্রতিবন্ধকতা ও তার সমাধান, ইস্যু ম্যানেজারদের পাইপলাইনে থাকা প্রক্রিয়াধীন ইস্যু, নেগেটিভ ইকুইটি ও আনরিয়ালাইজড লোকসানের প্রভিশন সংরক্ষণ, বন্ডের মাধ্যমে অর্থায়ন এবং পুঁজিবাজারকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠার কৌশল।

সভায় অংশ নেওয়া ইস্যু ম্যানেজাররা তাদের পাইপলাইনে থাকা ইস্যুগুলোর সর্বশেষ অবস্থা তুলে ধরেন এবং শিগগির নতুন কোম্পানি বা আইপিও বাজারে আনার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভায় ট্রিপল এ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, এবি ইনভেস্টমেন্ট, ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্ট, আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস, লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্টসসহ দেশের শীর্ষ মার্চেন্ট ব্যাংক ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিএসইসির কমিশনার মু. মোহসিন চৌধুরী, আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ, মো. সাইফুদ্দিন, সিএফএ এবং সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।

এএইচ/এম