খুচরা ঋণ বৃদ্ধি এবং সাধারণ গ্রাহকদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার জন্য ব্যক্তিগত ঋণের সর্বোচ্চ পরিশোধের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ভোক্তা ঋণ বাড়ার ক্ষেত্রে বহাল থাকা একটি বড় ধরনের বিধিনিষেধও প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে এই সংক্রান্ত একটি সার্কুলার পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সংশোধিত নীতিমালার আওতায় ব্যাংকগুলো এখন থেকে তাদের সামগ্রিক ঋণ প্রবৃদ্ধির হারের চেয়ে বেশি হারে ভোক্তা ঋণের পোর্টফোলিও বাড়াতে পারবে। এর আগে, ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হারের চেয়ে ভোক্তা ঋণের প্রবৃদ্ধি বেশি হওয়ার অনুমতি ছিল না।
ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ার ফলে গ্রাহকদের মাসিক কিস্তির (ইএমআই) পরিমাণ কমবে।
এতে সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের জন্য ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়া আরও সহজসাধ্য হবে। তবে তারা একই সঙ্গে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ঋণের মেয়াদ বাড়ানোর এ উদ্যোগটি যদি সঠিকভাবে পরিচালনা করা না হয়, তবে ব্যাংকগুলোর ঋণঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
প্রবৃদ্ধির এ সর্বোচ্চ সীমা বা ক্যাপ তুলে নেওয়ার ফলে ব্যাংকগুলো তাদের ভোক্তা ঋণ ব্যবসা সম্প্রসারণে উৎসাহিত হবে এবং ব্যক্তিগত ও খুচরা ঋণের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি কেনা উৎসাহিত করতে ৫ মে বিদ্যুৎচালিত ও হাইব্রিড গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ব্যক্তির ঋণ সীমা বাড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
সেমময় বিদ্যুৎচালিত ও হাইব্রিড যানবাহন ক্রয়ে ২০ লাখ টাকা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এ খাতে ঋণ-বিনিয়োগ অনুপাত করা হয় ৮০:২০ শতাংশ। আগে যা ছিল ৬০:৪০ শতাংশ।
এম