ঢাকা: দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আটটি বীমা কোম্পানি ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে সাতটি কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে। অর্থাৎ ফল প্রকাশ করা কোম্পানিগুলোর ৮৭ দশমিক ৫০ শতাংশই মুনাফা বৃদ্ধির ধারায় রয়েছে। বিপরীতে, একটি কোম্পানির মুনাফা কমেছে।
রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসই প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি মুনাফা বেড়েছে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের। কোম্পানিটির ইপিএস গত বছরের ৬৭ পয়সা থেকে বেড়ে ১ টাকা ৪৮ পয়সা হয়েছে। এতে প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ১২১ শতাংশ।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির ইপিএস ৭৪ পয়সা থেকে বেড়ে ১ টাকা ৩৮ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এতে প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৮৬ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস ২ টাকা ১০ পয়সা থেকে বেড়ে ৩ টাকা ১ পয়সা হয়েছে। কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৪৩ শতাংশ।
এছাড়া সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস ৯২ পয়সা থেকে বেড়ে ১ টাকা ৩ পয়সা এবং প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস ১ টাকা ১৬ পয়সা থেকে বেড়ে ১ টাকা ৩০ পয়সা হয়েছে। দুটি কোম্পানিরই মুনাফা বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ।
ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস ১ টাকা ১৪ পয়সা থেকে বেড়ে ১ টাকা ২৩ পয়সা হয়েছে, যা প্রায় ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। অন্যদিকে রূপালী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস ৭০ পয়সা থেকে বেড়ে ৭১ পয়সা হয়েছে। প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ১ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফলে একমাত্র সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা কমেছে। কোম্পানিটির ইপিএস গত বছরের ৮৯ পয়সা থেকে কমে ৫২ পয়সায় নেমে এসেছে। এতে মুনাফা কমেছে প্রায় ৪২ শতাংশ।
সামগ্রিকভাবে অর্ধবার্ষিক আর্থিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, প্রকাশিত আটটি বীমা কোম্পানির মধ্যে সাতটিই চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে মুনাফা বেড়েছে। ফলে খাতটির অধিকাংশ কোম্পানি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারায় রয়েছে।
এএইচ/পিএস