দেশজুড়ে বাড়তে থাকা হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের উদ্যোগে এই কার্যক্রম দেশের প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে, যাতে দ্রুত প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।
এর আগে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি এলাকাতেও এ কার্যক্রম চালু করা হয়। সর্বশেষ ধাপে তা সম্প্রসারণ করে এখন সারা দেশে একযোগে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার ৫১০টি টিকাকেন্দ্র পরিচালিত হবে, যার মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার অস্থায়ী কেন্দ্র। কর্মসূচির প্রথম দিনেই প্রায় ১১ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দেশে দুই শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ২৩ হাজারের বেশি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্বকে স্পষ্ট করে।
সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, হামের টিকা পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে এবং দেশব্যাপী এই কার্যক্রম জোরদারভাবে পরিচালিত হবে। তিনি গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে চলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
এম