দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে ইসরায়েলিরা

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ১২:২৫ পিএম

ঢাকা: ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে ১৯৪৮ সালে গড়ে তোলা ইসরাইল দীর্ঘ সময় মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে একাধিক যুদ্ধে জড়িয়ে ছিল। জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, জন্মভূমি ছেড়ে যাওয়ার বা অভ্যন্তরীণ অনৈক্যের দৃশ্য টেল আবিব কখনো দেখেনি। কিন্তু ২০২৩ সালে হামাসের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ইহুদিদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করেছে। ধ্বংসের আতঙ্ক তাদের অন্তরে নেমেছে।

এরপর টানা দু’বছর ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ইসরাইলি নৃশংস অভিযান 'ব্যাকফায়ার' হিসেবে ফিরে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে অবৈধ ভূখণ্ড ছাড়ার চেষ্টা শুরু হয়েছে ইহুদিদের মধ্যে। সীমান্ত এলাকা ও বিমানবন্দরগুলোতে ঢল নামে উদ্বাস্তু ইসরাইলিদের। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে ইরানে যৌথ হামলা শুরু করলেও, ইসরাইলের মধ্যেই ক্ষোভ বেড়েছে।

[268478]

যুদ্ধের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইরানের। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ সরকারি ও সামরিক অনেক উচ্চপদস্থ নেতার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের সংখ্যা দুই হাজারের কাছাকাছি, হাজার হাজার সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামো বিধ্বস্ত হয়েছে। তবুও ইরানিরা হাল ছাড়েনি।

গণবিরোধী মনোভাব ক্রমে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও ফুটে উঠছে। ৩ এপ্রিল ইরানে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপজাতি নারীরাও বন্দুক হাতে মার্কিন পাইলটকে খুঁজছে। এই দৃশ্য ইরানিদের যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একজোট ও প্রতিবাদী হওয়ার প্রমাণ।

অপরদিকে ইসরাইলের পরিস্থিতি উল্টো। রেজিম চেঞ্জ বা সরকারবিরোধী আন্দোলন লক্ষ্য করে হামলা চালালেও ইসরাইলে সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হয়ে উঠেছে। বারবার প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর পদত্যাগ, যুদ্ধবিরতি ও অন্যান্য দাবিতে রাস্তায় নেমেছে সাধারণ মানুষ।

এসআই