ঢাকা: বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৫টি দেশ ও একটি জোটের অর্থনীতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব দেশ ও সংস্থার নীতি ও কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে দেশটি।
বুধবার (১১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বাণিজ্য আলোচনাকারী সংস্থা ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ-ইউএসটিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, সেকশন ৩০১-এর অধীনে অন্যায্য বাণিজ্যচর্চা নিয়ে যে তদন্ত শুরু হয়েছে, তার ভিত্তিতে চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও মেক্সিকোর মতো দেশের ওপর এই গ্রীষ্মের মধ্যেই নতুন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
এই তদন্তে যদি কোনো দেশের বিরুদ্ধে অন্যায্য বাণিজ্যচর্চার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সেই দেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র আমদানি শুল্ক আরোপ করতে পারবে।
গ্রিয়ার বলেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ট্রাম্প যে অস্থায়ী শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা জুলাইয়ে শেষ হওয়ার কথা। এর আগেই এই বাণিজ্য তদন্ত শেষ করার আশা করছেন তিনি।
তদন্তের আওতায় বাংলাদেশসহ অন্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, সুইজারল্যান্ড ও নরওয়ে।
ইউএরটিআর জানায়, তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এ বিষয়ে মতামত জমা দেওয়ার জন্য ১৭ মার্চ থেকে প্রক্রিয়া শুরু হবে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে লিখিত মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে।
১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ধারা ৩০১ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর প্রভাব ফেলে এমন অন্যায্য বিদেশি বাণিজ্য চর্চার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইনের আওতায় বিদেশি সরকারের এমন নীতি বা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তদন্ত করা যায়, যা অযৌক্তিক বা বৈষম্যমূলক এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর বোঝা সৃষ্টি করে।
পিএস