যে প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন হবে নতুন পে স্কেল, মিলল নতুন তথ্য

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
ফাইল ছবি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটেই নতুন পে স্কেলের ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে একযোগে পুরো সুবিধা না দিয়ে ধাপে ধাপে এটি কার্যকরের পরিকল্পনা করছে সরকার।

জানা গেছে, আগামী ৭ জুন বেলা ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় বা বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। এসময় পে স্কেলের ঘোষণা এবং এর বাস্তবায়ন কাঠামো তুলে ধরা হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন পে স্কেলের প্রাথমিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য বরাদ্দ নিয়ে কাজ চলছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মূল বেতন আংশিক বাড়ানো হতে পারে। এর পর পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। সরকারের লক্ষ্য, ২০২৮-২৯ অর্থবছরের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর শতভাগ সুবিধা নিশ্চিত করা।

জানা গেছে, নতুন পে কমিশনের আওতায় প্রায় ১৪ লাখ কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রায় ৯ লাখ পেনশনার বা অবসরভোগী আর্থিক সুবিধার আওতায় আসবেন।

এদিকে, সরকারি চাকরিজীবীদের সংগঠনগুলো দ্রুত জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ এর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম গ্রেডের বেতন হতে পারে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত। দ্বিতীয় গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। তৃতীয় গ্রেডে ১ লাখ ১৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং চতুর্থ গ্রেডে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এছাড়া পঞ্চম থেকে নবম গ্রেড পর্যন্তও উল্লেখযোগ্য হারে বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।

দশম গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা এবং একাদশ গ্রেডে ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। নিচের গ্রেডগুলোতেও বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এসংক্রান্ত গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই নবম জাতীয় পে স্কেলের চূড়ান্ত রূপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

এসএইচ