দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চূড়ান্ত পর্যালোচনার টেবিলে পৌঁছেছে বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে স্কেল। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সব ঠিক থাকলে চলতি মাসের মধ্যেই সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন এই বেতন কাঠামোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরই প্রজ্ঞাপন জারির পথ সুগম হবে, যদিও এটি বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলের পর জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি হু হু করে বাড়লেও সার্বিক বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণ করা হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে জমা পড়া কমিশন প্রতিবেদনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার এই বিশাল প্রস্তাব পর্যালোচনায় বর্তমানে একটি বিশেষ কমিটি কাজ করছে।
তবে বেতন বৃদ্ধির সুসংবাদের আড়ালে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা। আকাশছোঁয়া সরকারি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির বৈশ্বিক চাপ বিবেচনায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পে স্কেল বাস্তবায়নে কিছুটা ধীরগতির পরামর্শ দিয়েছে।
এই আর্থিক চ্যালেঞ্জ সামলাতে একবারে পুরোটা কার্যকর না করে ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের কথা চিন্তা করছে সরকার। এখন মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের দিকেই অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছেন লাখ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এসএইচ