পে স্কেল বাস্তবায়নে দুই বছর, আরও যেসব প্রস্তাব সচিব কমিটির

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১২:৪১ পিএম
ফাইল ছবি

সরকারি কর্মচারীদের বহু প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল দুই বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের বিষয়ে একমত হয়েছে সচিব কমিটি। সুপারিশকৃত এই পে স্কেলে বৈষম্য দূর করতে উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বেশি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এই খসড়া প্রস্তাবনা মন্ত্রিসভায় পাঠানোর জন্য চূড়ান্ত করা হয়।

সচিব কমিটির বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। তবে সব গ্রেডে একই হারে এটি বাড়বে না। মূলত নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে তাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শতভাগ বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ রয়েছে।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, এই নতুন পে স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম ধাপে কেবল মূল বেতন এবং দ্বিতীয় ধাপে ভাতাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। কমিটির খসড়া অনুসারে, চলতি ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে এই পে স্কেলের আংশিক বাস্তবায়ন কার্যকর ধরা হবে এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে তা পুরোপুরি সম্পন্ন হবে। তবে ঠিক কতটি ধাপে এটি মাঠে গড়াবে, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।

জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই অর্থ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই বিষয়ে অবহিত করা হলে সেখানে হওয়া আলোচনার ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত প্রস্তাবনাটি সাজানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ পর্যায়ের কমিটি এখন এই সুপারিশের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেবে।

অন্য এক প্রসঙ্গে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫’-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটি গঠন করেছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সভাপতিত্বে গঠিত এই কমিটিতে স্বরাষ্ট্র, আইন, সমাজকল্যাণ এবং জ্বালানি মন্ত্রীসহ একাধিক প্রতিমন্ত্রীকে সদস্য করা হয়েছে। পাশাপাশি অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে নামছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

এসএইচ