সরকারি চাকরিজীবীদের আরও এক ভাতা কমানোর প্রস্তাব

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১০:৩০ পিএম

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বেতন-ভাতা বাড়ার প্রত্যাশার মধ্যেই বৈশাখী ভাতা কমানোর প্রস্তাব সামনে এসেছে। প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোয় বাংলা নববর্ষের এ ভাতার হার বর্তমানের ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে।

বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পান। নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে প্রস্তাব অনুযায়ী এ হার ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে ১৫ শতাংশ হতে পারে।

তবে মূল বেতন বৃদ্ধির কারণে ভাতার হার কমলেও অনেকের হাতে পাওয়া অর্থের পরিমাণ বাড়তে পারে। প্রস্তাবিত কাঠামোয় বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, মোবাইল, যাতায়াত ও টিফিন ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধায় পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি ভাতা এবং হাওড়, দ্বীপ ও চরভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এসব ভাতার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের কথাও রয়েছে।

এ ছাড়া ঝুঁকি ভাতাসহ বিভিন্ন বিশেষ ভাতার পরিমাণ বর্তমানের তুলনায় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন পে স্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। তবে মূল বেতন একসঙ্গে না বাড়িয়ে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। অন্যান্য ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার প্রস্তাব রয়েছে।

তবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরও নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেট এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে বৈশাখী ভাতাসহ অন্যান্য ভাতার চূড়ান্ত হার গেজেট ও বাস্তবায়ন নির্দেশনা প্রকাশের পরই নিশ্চিত হবে।

এম