জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ছাড়া বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী অমিত

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে যেভাবে অব্যাহতভাবে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রতিদিন নতুন মাত্রায় আবির্ভূত হচ্ছে-যার ফলে বীমা প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়া বাড়ছে, তাতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের সামনে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না। 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রবাসী ভাইদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা, যা আমাদের রিজার্ভের প্রধানতম খাত-সেই মুদ্রায় কেনা জ্বালানি তেল প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পাচার হওয়ার ঝুঁকির মুখে পড়েছিলাম আমরা।

তিনি আরও বলেন, এমতাবস্থায় সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে এবং প্রবাসী ভাইদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় কেনা জ্বালানি তেল যেন প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পাচার না হতে পারে, সে কারণেই সরকারকে এই মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে।
 
তিনি বলেন, আশা করি জনগণ এটি বুঝতে সক্ষম হবে। তবে আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, এর অভিঘাত কতটুকু সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায়-সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোতে ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে করে জনগণের ওপর প্রভাব সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় না করার কারণে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, আমাদের বছরে প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়, যার মধ্যে ৪৫ লাখ মেট্রিক টনই ডিজেল। মূল্য সমন্বয়ের আগে ডিজেলে প্রতি লিটারে প্রায় ৯০ টাকা লোকসান দিতে হচ্ছিল। এই সমন্বয়ের পরও বিপিসিকে গড়ে প্রতি লিটারে প্রায় ৭০ টাকা করে ভর্তুকি দিতে হবে।

পিএস