জুলাই আন্দোলনে আহত হয়ে শহীদ মিনারে গিয়েছিলেন গণমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা বলতে। তবে সেখানে চরম প্রতারণার শিকার হন মো. আজিম হোসেন। ফোন করার বাহানায় তার মোবাইল ফোন ও পাঁচ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় এক ব্যক্তি। শাহবাগ থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরপরই মেলে হুমকি ও হামলা। চিকিৎসাধীন থাকতে হয় দীর্ঘদিন।
থানায় জিডি করা হলেও উদ্ধার হয়নি মোবাইল, মেলেনি সুরাহা। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও মূল অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এই ভুক্তভোগী। আজিম জানান, সেদিনের পুরো ঘটনা নুরুল হক নূর, আমজনতার তারেক রহমানসহ রাশেদ খান বিষয়টি জানেন। তিনি অভিযোগ করেন, নুরুল হক নূরের কর্মীরা তার ফোন ছিনতাই করেছেন এ নিয়ে তার কাছে যতেষ্ঠ প্রমাণ রয়েছে। এই বিষয় নিয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া না পেয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
প্রশাসনের ঢিলেঢালা ভাব নিয়ে যেমন প্রশ্ন, তেমনি প্রবাসীদের অবহেলা নিয়েও ক্ষুব্ধ আজিম। দুবাইপ্রবাসী হিসেবে সাবেক ভিপি নূরের প্রবাসীবিরোধী মন্তব্যের প্রতিবাদে সোচ্চার হন তিনি। প্রবাসীদের রক্তজল করা পরিশ্রম নিয়ে কটূক্তির তীব্র নিন্দা জানান।
পাঁচ মাস ধরে দুবাই দূতাবাসে ফাইল আটকে থাকা এবং আগারগাঁওয়ে পাসপোর্ট জটের পেছনে সিন্ডিকেটের কথাও জানান আজিম। প্রশাসনিক এই অনিয়ম ও সহিংসতার বিরুদ্ধে তার সোচ্চার অবস্থান এক বড় বার্তা দেয়। শেষ পর্যন্ত কি পাবেন তিনি সুবিচার? নাকি প্রবাসীদের অধিকার ও আইনি লড়াই অজানাতেই আটকে থাকবে?
এসএইচ