মোটরসাইকেলে কড়াকড়ি, নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিকশা নিয়ে নীরবতা কেন?

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৯:৫১ এএম

রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠছে প্রশ্ন—সড়কের প্রকৃত বিশৃঙ্খলার উৎসগুলোর বিরুদ্ধে কি যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?

ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ঘিরে এ আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। বিভিন্ন ট্রাফিক বিভাগে মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে বিপুল সংখ্যক মামলা হলেও বাস, অবৈধ অটোরিকশা ও অন্যান্য গণপরিবহনের বিরুদ্ধে তুলনামূলক কম ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সড়ক ব্যবহারকারীদের অনেকেই বলছেন, রাজধানীর যানজট ও বিশৃঙ্খলার অন্যতম কারণ হলো যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো। অনেক ক্ষেত্রে ব্যস্ত সড়কের মাঝখানে দীর্ঘ সময় বাস দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যা যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। এছাড়া ফুটপাত দখল, অবৈধ পার্কিং ও অনিয়ন্ত্রিত অটোরিকশার চলাচল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ অটোরিকশার নেই বৈধ নিবন্ধন বা লাইসেন্স। চালকদের একটি বড় অংশ ট্রাফিক আইন সম্পর্কে অজ্ঞ কিংবা প্রশিক্ষণহীন। ফলে হঠাৎ লেন পরিবর্তন, উল্টো পথে চলাচল, ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্ন ও যত্রতত্র থামানোর মতো ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।

সামাজিক মাধ্যমে অনেকে লিখেছেন, বর্তমানে সড়কে সবচেয়ে অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনে পরিণত হয়েছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। কেউ কেউ বিদ্যুৎ সংকটের প্রসঙ্গ টেনে বলছেন, হাজার হাজার অটোরিকশা প্রতিদিন চার্জ হওয়ায় বিদ্যুতের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অটোরিকশা সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনার ঘটনাও বাড়ছে বলে দাবি করছেন নাগরিকরা। পথচারী, মোটরসাইকেল চালক ও অন্যান্য যানবাহনের চালকেরা প্রায়ই ঝুঁকির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এম