• ঢাকা
  • রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

মন্ত্রী হয়েও রিকশায় ঘুরছেন ভূমিমন্ত্রী মিনু


রাজশাহী প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৫:১১ পিএম
মন্ত্রী হয়েও রিকশায় ঘুরছেন ভূমিমন্ত্রী মিনু

ছবি : প্রতিনিধি

রাজশাহী: রিক্সা ভাল লাগার বাহন। রিক্সায় চড়েই শহর ঘুড়ে বেড়ানো দীর্ঘ দিনের অভ্যাস। রাজশাহী শহরে মিজানুর রহমান মিনুকে অধিকাংশ সময় রিক্সায় চড়ে বেড়ান। মন্ত্রী হওয়ার পর একই বাহনে চড়ে রাজশাহী শহরে ঘুড়লেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।
 
সকালে রিকশায় চড়ে সবজির বাজারে যান। আবার রিকশা নিয়েই ফেরেন। দলীয় কর্মসূচিতেও অংশ নিতে যান রিকশায় চড়ে। মিজানুর রহমান মিনু এবার ভূমিমন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু রাজশাহীতে তাঁকে দেখা যাচ্ছে সেই চিরচেনা রূপে। রিকশায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।

মিজানুর রহমান মিনুর ১০ বছরের সঙ্গী রিকশাচালক আব্দুল কুদ্দুস। শনিবার সকালেও নগরের ভদ্রা এলাকার বাড়ি থেকে কুদ্দুসের রিকশায় চড়ে বসেন মিনু। প্রতিদিনের মতো এ দিনও চলে যান সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে। প্রাতভ্রমণে বের হওয়া বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দেন।

এরপর সাহেববাজারে একটি কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দুপুরে ফেরার পথে দড়িখড়বোনার একটি সেলুনে যান। খুব সাধারণ এই সেলুনটিতে ৪০ বছর ধরে আসেন তিনি। সেলুন থেকে বেরিয়ে আবারও রিকশায় চড়ে বাড়ি যান মিনু।

তখনই তাঁকে রিকশায় চড়ে বাড়ি ফিরতে দেখা যায়। মিজানুর রহমান মিনু রিকশায় চড়ে যাওয়ার পথে হাসিমুখে হাত তুলে সাধারণ মানুষকে সালাম দেন। সাধারণ মানুষও হাসিমুখে সালাম দেন তাঁকে। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুর রব পান্না।

মিজানুর রহমান মিনু ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। দায়িত্ব পালন করেছেন টানা ১৭ বছর। মেয়র থাকাকালে ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি সদর আসনের সংসদ সদস্যও হন। পরে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মেয়র হওয়ার আগে থেকে তিনি শহরে রিকশায় ঘুরে বেড়ান। ভোটের প্রচারণার সময়ও শহরের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত গণসংযোগে যান রিকশায় চড়ে। এবার সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার সময়ও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তাঁকে দেখা গেছে রিকশায়।

রিকশাচালক আব্দুল কুদ্দুসের বাড়ি ভদ্রা জামালপুর এলাকায়। তিনি বলেন, ‘আমার রিকশাতেই মিনু ভাই পুরো শহর ঘুরে বেড়ান। আজও তিনি সরকারি গাড়ি নেননি। আমার রিকশাতেই বের হয়েছেন। একজন মন্ত্রী হয়েও তিনি রিকশায় ঘুরছেন, এটা আমার কাছেও ভালো লাগছে।’

মিজানুর রহমান মিনুর সঙ্গে ১১ বছর ধরে থাকেন আব্দুর রব পান্না। তিনি জানালেন, শুক্রবার সকালে প্রটোকল দেওয়ার জন্য পুলিশের গাড়ি এসেছিল। সরকারি গাড়িও প্রস্তুত ছিল। কিন্তু তিনি গাড়িতে যাননি। কোনো প্রটোকলও নেননি। আগের মতোই একা একা বেরিয়ে পড়েন রিকশায়।

পান্না বলেন, ‘আমি ১১ বছর ধরে তাঁর সঙ্গে আছি। এভাবেই তাঁকে দেখছি। তিনি সব সময় জনগণের সঙ্গে মিশতে চান। মানুষের কাছাকাছি থাকতে চান। এটা তার ভালো লাগার বিষয়।

পিএস

Wordbridge School
Link copied!