দেশের দুটি পৃথক স্থানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশুসহ মোট ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জনেরও বেশি যাত্রী ও পথচারী। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোরে ও সকালে সিলেট ও বগুড়ায় এ দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
সিলেটে দুই বাসের সংঘর্ষে শিশুসহ ৮ জনের মৃত্যু
সিলেটের ওসমানীনগরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ ৮ জন নিহত হয়েছেন। সকাল ৭টা থেকে ৭টা ১০ মিনিটের দিকে ওসমানীনগর থানার কাশিকাপন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ওসমানীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদিন জানান, ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিলেটগামী বেঙ্গল স্লিপার কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসটির ৭ যাত্রী মারা যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৩ বছরের এক শিশুকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতদের সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন। খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ, ওসমানীনগর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালান। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। বর্তমানে ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহত
অপরদিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে বাসচাপায় ৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১৭ জন। পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়া সিল্কিবান্ধা এলাকায় ঢাকা থেকে নওগাঁগামী যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ডান পাশের একটি বৈদ্যুতিক পিলারে আঘাত করে। এতে বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। একই সময়ে সেখানে কাজের সন্ধানে অনেক শ্রমিক অপেক্ষা করছিলেন। বাসটি শ্রমিকদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন। এছাড়া কমপক্ষে ১৮ জন আহত হন।
এ সময় স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিসাধীন অবস্থায় আরও চারজন মারা যান। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে, দুর্ঘটনার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে স্থানীয়রা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এম







































