• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

খায়রাবাদ নদীর ভাঙনে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি


ঝালকাঠি প্রতিনিধি  অক্টোবর ২০, ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম
খায়রাবাদ নদীর ভাঙনে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি

ছবি : প্রতিনিধি

​ঝালকাঠি: ​ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নে খায়রাবাদ নদীর তীব্র ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীপাড়ের হাজারও মানুষ। গত এক সপ্তাহের বেপরোয়া ভাঙনে ইতোমধ্যে ভরতকাঠি গ্রামের শতাধিক পরিবারের বসতভিটা ও ইউনিয়নের প্রধান সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটি নদীতে বিলীন হওয়ায় ভরতকাঠি ও আশপাশের গ্রামের হাজারো মানুষ গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় কোমলমতি শিশুরা বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন গর্ভবতী নারী ও বয়স্ক অসুস্থ রোগীরা; যাতায়াতের মাধ্যম না থাকায় অনেকে সময়মতো চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না।

​এমন পরিস্থিতিতে নদীভাঙন রোধে ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। 'খায়রাবাদ নদী ভাঙন প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটি'র ব্যানারে তারা পানিবন্দী এলাকা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

​সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক মো. রুহুল আমিন হাওলাদার ও সদস্য সচিব মো. রমজান আইকন হৃদয় বলেন, “নদীর তীব্র ভাঙনে ইতোমধ্যে শতাধিক পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন বন্ধ না করা গেলে পুরো গ্রাম মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। আমরা পানিবন্দী মানুষকে রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত বেড়িবাঁধ নির্মাণ অথবা জিও ব্যাগ ফেলার জোর দাবি জানাচ্ছি।”

​নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রতীক কুমার কুণ্ডু বলেন, “খায়রাবাদ নদীর তীব্র ভাঙনের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। অচিরেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

​এ বিষয়ে জানতে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নিলয় পাশার ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাঁর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

পিএস

Link copied!