• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের উদ্বোধন আগামী বছরের শুরুতেই: পানিসম্পদ


পাবনা প্রতিনিধি অক্টোবর ২৫, ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের উদ্বোধন আগামী বছরের শুরুতেই: পানিসম্পদ

ছবি: প্রতিনিধি

আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সময় সাপেক্ষে বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়ীয়ায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন এবং কারিগরি বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী বলেন, এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৭ কোটি মানুষ এর সরাসরি সুফল পাবেন। এটি সরকারের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প এবং একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাহসী উদ্যোগে নির্বাচনের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। দুটি পর্যায়ে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫০ থেকে ৫৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। নদীপাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও দেশের স্বার্থেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে মন্ত্রী জানান, তিনি ২০০৪ সালে জীবদ্দশায় প্রথম এই প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। একটি নির্বাচিত সরকারের পক্ষেই কেবল এমন বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দূর হওয়া ছাড়াও কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, মৎস্য সম্পদ বিকাশ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে পানির সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

সভার বিশেষ অতিথিবৃন্দ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, পাবনার সুজানগর থেকে রাজবাড়ী জেলার সংযোগস্থল পর্যন্ত এই ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে পাবনা ও রাজবাড়ীসহ দেশের ১৯ জেলার আর্থসামাজিক চিত্র সম্পূর্ণ পাল্টে যাবে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে প্রায় আট মাস বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্যও এটি বিশেষ সুফল বয়ে আনবে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে ব্যারাজের ৭৮টি গেট খোলা রেখে পানিপ্রবাহ ব্যবস্থাপনা সহজ করা হবে।

আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-সিরাজগঞ্জ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, প্রকল্পের পরিচালক হাসান মাহমুদ, জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম এবং পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ প্রমুখ।

এসএইচ 

Link copied!