• ঢাকা
  • শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

রাজশাহী বোর্ডে পাস ৪৫ শতাংশ, এগিয়ে মেয়েরা


রাজশাহী প্রতিনিধি অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
রাজশাহী বোর্ডে পাস ৪৫ শতাংশ, এগিয়ে মেয়েরা

ছবি : প্রতিনিধি

রাজশাহী: রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। এ বছর বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালে অটোপাসের পর এবারই বোর্ডে সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড করা হয়েছে। শুধু পাসের হারেই নয়, শতভাগ পাস করা কলেজের সংখ্যাও কমেছে। অন্যদিকে, ৩৯টি কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

শনিবার বেলা ১১টায় রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন।

বোর্ডের প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৫৬ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ৬১ হাজার ৮৯৪ জন। বাকি ৭৫ হাজার ৪৬২ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।

ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ, বিপরীতে মেয়েদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও মেয়েদের আধিপত্য দেখা গেছে। এবার মোট ৪ হাজার ৫২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৫৫৫ জন মেয়ে এবং ১ হাজার ৯৬৫ জন ছেলে।

রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ৭৪৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এসব কলেজের মধ্যে মাত্র ৯টিতে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। বিপরীতে ৩৯টি কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৩১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বোর্ডের গত কয়েক বছরের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশে। ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। ২০২৫ সালে পাসের হার আরও কমে হয় ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। এবার তা নেমে এসেছে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশে।

ফলাফলের এই নিম্নমুখী প্রবণতা নিয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন বলেন, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতায় যেভাবে উত্তর লিখেছে, সেভাবেই নম্বর পেয়েছে। কাউকে বাড়তি নম্বর দেওয়া হয়নি। এ কারণে সামগ্রিক ফলাফলে এর প্রভাব পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এবারের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

পিএস

Link copied!